• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

ধমকের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডিসি

Reporter Name / ৫৩ এই পর্যন্ত দেখেছেন
আপডেট : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬



নিজস্ব প্রতিবেদক : শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালো বাজারি ও পাচারের অভিযোগে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের বিশেষ ক্ষ’মতা আইনে মা’মলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্দ জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন কর্তৃক তাঁকে টেলিফোনে ধমক দেওয়ার একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অডিও ছড়িয়ে পড়ায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন জেলা প্রশাসক।

তিনি দাবি করেন, কৃষি কর্মকর্তা তাঁর দায়িত্বের সময় সেই সংকট মোকাবিলা না করে বদলির ঠিক আগমুহূর্তে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মা’মলা করেছেন।

ডিসি ফরিদা ইয়াসমিন জানান, তিনি গত বছরের ২৭ এপ্রিল শেরপুর জেলায় যোগদান করেন। অথচ কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন মা’মলাটি করেছেন চলতি বছরের ৮ জুলাই, যা মূলত গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের সারের সংকটের বিষয় নিয়ে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সে সময় দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও কৃষি কর্মকর্তা কেন তখন ক্রাইসিস মিটআপ না করে এখন মামলা করতে গেলেন।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, মা’মলা হওয়ার পর ডিলারদের একটি পক্ষ তাঁর কাছে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছে ডিলারদের বৈধ রেজিস্টার ও দলিলপত্র জবরদস্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এক ডিলারের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

ফৌজদারি মা’মলা করার ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা নিয়মনীতি সঠিকভাবে মানা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা হয়ে নিয়মনীতি না মেনে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো সমন্বয় না করে এ ধরনের পদক্ষেপ মাঠ প্রশাসনের শৃঙ্খলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। বর্তমান সময়ে সারের কোনো সংকট নেই বলে জেলা প্রশাসক দাবি করেন।


একটু পড়ুন
https://slotbet.online/