রবিউল হাসান লায়ন,
জামালপুর-ঢাকা মহাসড়কে রাজিব পরিবহনের একের পর এক দু°র্ঘটনায় প্রা°ণহানির ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত যাত্রী ও জেলাবাসীর পাশে থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরবে কাজ করে চলেছেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী।
গত ছয় মাসে রাজিব পরিবহনের বাসের একাধিক দু°র্ঘটনায় ১৮ থেকে ২০ জনের প্রা°ণ গে°ছে বলে জানা গেছে। এসব দু°র্ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনসিপির নেতাদের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের মা°রামা°রির ঘ°টনাও ঘটেছে। রাজিব পরিবহন বন্ধের দাবিতে নান্দিনা এলাকায় আন্দোলনও হয়েছে।
গত আগস্টের শেষ সপ্তাহে জামালপুর সদর উপজেলার লাহিড়ীকান্দা এলাকায় রাজিব পরিবহনের বাসচাপায় চারজন নি°হত হন। সর্বশেষ গত শুক্রবার ময়মনসিংহের আকুয়া এলাকায় রাজিব পরিবহনের বাসের চা°পায় সিএনজি অটোরিকশার সাত যাত্রী নি°হতের ঘটনায় রাজিব পরিবহন বন্ধের দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে সড়কে নি°রাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। ছোট গাড়ি মহাসড়কে এভাবে চলার কথা না, তারপরও চলে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজিব পরিবহনের চালকদের প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিআরটিএকে বলা হয়েছে। বাসের রুট পারমিট, ফিটনেসসহ সবকিছু যেন আপডেট থাকে।’
সড়ক দু°র্ঘটনা কমাতে বিকল্প গণপরিবহন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা, বিআরটিসি বাসের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছি। কেউ চাইলে ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় ভালো বাস সার্ভিস আনতে পারে।’
সড়কে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, ‘সড়কে মৃ_ত্যুর মি°ছিল কেউই চায় না। আমি চাই সড়কে যেন আর কোনো মায়ের বু°ক খালি না হয়।’
জেলাবাসীর প্রত্যাশা—প্রশাসনের উদ্যোগ, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দায়িত্বশীলতা এবং যাত্রীদের সচেতনতার সমন্বয়ে জামালপুরের সড়কে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হবে। আর কোনো পরিবারকে যেন সড়ক দু°র্ঘটনার শো°ক বহন করতে না হয়।
https://slotbet.online/